মেনু নির্বাচন করুন

আমাদের অর্জনসমূহ

সাম্প্রতিক বছরসমূহের (৩ বছর) প্রধান অর্জনসমূহ

কৃষি নির্ভর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্য সেক্টরের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অনস্বীকার্য। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুযায়ী দেশের মোট জিডিপি’র ৩.৫০ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপি’র এক-চতুর্থাংশের বেশি (২৫.৭১ শতাংশ) মৎস্যখাতের অবদান। বিগত ১২ বছরে মৎস্যখাতে গড় প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ৫.০১ শতাংশ। আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যে প্রাণিজ আমিষের প্রায় ৬০ ভাগ আসে মাছ থেকে। বিগত তিন অর্থবছরে (২০১৬-১৭, ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯) মোট মৎস্য উৎপাদন ছিল ৪১.৩৪, ৪২.৭৭ ও ৪৩.৮৪ লক্ষ মেট্রিক টন। বিগত তিন অর্থবছরে (২০১৬-১৭, ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯) ৬৮৩০৫.৬৮, ৬৮৯৩৫.৪৫ ও ৭৩১৭১.৩২ মে.টন মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানি করে যথাক্রমে ৪২৮৭.৬৪, ৪৩০৯.৯৪ ও ৪২৫০.৩১ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়েছে। অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদন ও বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে যথাক্রমে ৩য় ও ৫ম স্থান অধিকার করেছে (এফএও, ২০২০)। অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির হারে সারা বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয় (এফএও, ২০২০)।

সাম্প্রতিক বছরসমূহের (৩ বছর) প্রধান অর্জনসমূহ

কৃষি নির্ভর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্য সেক্টরের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অনস্বীকার্য। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুযায়ী দেশের মোট জিডিপি’র ৩.৫০ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপি’র এক-চতুর্থাংশের বেশি (২৫.৭১ শতাংশ) মৎস্যখাতের অবদান। বিগত ১২ বছরে মৎস্যখাতে গড় প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ৫.০১ শতাংশ। আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যে প্রাণিজ আমিষের প্রায় ৬০ ভাগ আসে মাছ থেকে। বিগত তিন অর্থবছরে (২০১৬-১৭, ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯) মোট মৎস্য উৎপাদন ছিল ৪১.৩৪, ৪২.৭৭ ও ৪৩.৮৪ লক্ষ মেট্রিক টন। বিগত তিন অর্থবছরে (২০১৬-১৭, ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯) ৬৮৩০৫.৬৮, ৬৮৯৩৫.৪৫ ও ৭৩১৭১.৩২ মে.টন মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানি করে যথাক্রমে ৪২৮৭.৬৪, ৪৩০৯.৯৪ ও ৪২৫০.৩১ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়েছে। অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদন ও বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে যথাক্রমে ৩য় ও ৫ম স্থান অধিকার করেছে (এফএও, ২০২০)। অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির হারে সারা বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয় (এফএও, ২০২০)।

সাম্প্রতিক বছরসমূহের (৩ বছর) প্রধান অর্জনসমূহ

কৃষি নির্ভর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্য সেক্টরের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অনস্বীকার্য। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুযায়ী দেশের মোট জিডিপি’র ৩.৫০ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপি’র এক-চতুর্থাংশের বেশি (২৫.৭১ শতাংশ) মৎস্যখাতের অবদান। বিগত ১২ বছরে মৎস্যখাতে গড় প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ৫.০১ শতাংশ। আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যে প্রাণিজ আমিষের প্রায় ৬০ ভাগ আসে মাছ থেকে। বিগত তিন অর্থবছরে (২০১৬-১৭, ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯) মোট মৎস্য উৎপাদন ছিল ৪১.৩৪, ৪২.৭৭ ও ৪৩.৮৪ লক্ষ মেট্রিক টন। বিগত তিন অর্থবছরে (২০১৬-১৭, ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯) ৬৮৩০৫.৬৮, ৬৮৯৩৫.৪৫ ও ৭৩১৭১.৩২ মে.টন মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানি করে যথাক্রমে ৪২৮৭.৬৪, ৪৩০৯.৯৪ ও ৪২৫০.৩১ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়েছে। অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদন ও বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে যথাক্রমে ৩য় ও ৫ম স্থান অধিকার করেছে (এফএও, ২০২০)। অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির হারে সারা বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয় (এফএও, ২০২০)।